উদ্দীপকে বর্ণিত কাহিনি 'কাকতাড়ুয়া' উপন্যাসের বুধার অমিত সাহস ও স্বদেশানুরাগের দিকটির ইঙ্গিত করে।
মাতৃভূমির প্রতি মানুষের ভালোবাসা থাকে। অনেক সময় সেই ভালোবাসা সাধারণ্যে প্রকাশ পায় না। দেশ যখন শত্রুকবলিত হয় তখন দেশের প্রতি ভালোবাসা শক্তিতে পরিণত হয়। আর তা প্রকাশ পায় বৈশাখী ঝড়ের মতো। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদারের সামনেও বাঙালি এমনই ঝড়ের মতো ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। দেশকে শত্রুমুক্ত করেছিল প্রবল বিক্রমে।
উদ্দীপকে মুক্তিযোদ্ধা আবু সাঈদের সাহসিকতার পরিচয় পাওয়া যায়। বঙ্গাবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ শুনে তার মনে দেশকে শত্রুমুক্ত ও স্বাধীন করার প্রবল বাসনা জাগে। সেই লক্ষ্যেই সে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। একের পর এক নেতৃত্ব দেয় গেরিলা আক্রমণের। সফলভাবে শেষ করে 'অপারেশন জ্যাকপট। পাকসেনারা আবু সাঈদের গ্রামে হামলা চালায়। বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেয় আর যাকে যেখানে পায় সেখানেই নির্মমভাবে হত্যা করে। তাদের এত অত্যাচারেও সে থামে না, বরং দৃঢ় প্রতিজ্ঞা করে দেশকে শত্রুমুক্ত করার। এ রকম মানসিকতা 'কাকতাড়ুয়া' উপন্যাসে বুধার মধ্যেও পাওয়া যায়। বৃধা কিশোর। কেউ তাকে মুক্তিযোদ্ধা মনে করে না। এ সুযোগ সে পুরোপুরি কাজে লাগায়। রাজাকার কমান্ডার আর শান্তি কমিটির চেয়ারম্যানের বাড়িতে আগুন দেয়। মাইন দিয়ে উড়িয়ে দেয় শত্রুর বাঙ্কার। দেশকে
শত্রুমুক্ত করার প্রতিজ্ঞা তার মনেও কাজ করে । এভাবে উদ্দীপকের সাঈদের মুক্তিযুদ্ধের কার্যক্রম 'কাকতাড়ুয়া' উপন্যাসের বুধার সাহসিকতাকে ইঙ্গিত করে।
সারকথা: 'কাকতাড়ুয়া' উপন্যাসে বুধার সাহসিকতা প্রকাশ পায় দারুণভাবে। সে কৌশলে হানাদার ও রাজাকারদের ক্ষতি করে। উদ্দীপকের সাঈদও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শত্রুর মোকাবিলা করে।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!